বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পাঠাতে মহাকাশের ঐ জায়গাটা (১১৯.১)আমরা কেন ভাড়া নিব ? যাদেরকে ভাড়া দিচ্ছি তারা ওটার মালিকানা কিভাবে পেল ?


মহাকাশ আন্তর্জাতিক সম্পত্তি, কেউ কোনোভাবেই এর একক মালিকানা দাবি করতে পারবেনা। তবে বিভিন্ন অরবিটে শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তার স্বার্থে জাতিসংঘের অধীনে একটি রেগুলেটরি সংস্থা রয়েছে, International Telecommunication Union.

কোনো দেশ বা অর্গানাইজেশন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করতে চাইলে তাদের প্রথমেই একটি অব্যবহৃত অরবিটের জন্য ITU'র নিকট আবেদন করতে হয়। বিভিন্ন শর্ত-সাপেক্ষে ITU তাদের অনুমতি দিয়ে থাকে। কেউ কোনো অরবিট ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ার পর অনুমোদিত সংস্থাটি ইচ্ছা করলে উক্ত অরবিটটি অন্য কাউকে ভাড়া দিতে পারবে। এখানে উল্লেখ্য যে, এই অনুমতির মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৫ বছর, তবে পরিবর্ধনযোগ্য। উক্ত সময়ের মাঝে ITU'র বেঁধে দেয়া কোনো রেগুলেশন ভঙ্গ করলে অরবিট ব্যবহারের অনুমতি স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়।

বাংলাদেশ ITU'র কাছে ১০২ ডিগ্রী-পূর্ব অরবিটের জন্য আবেদন করেছিলো, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যাত হয়, কেননা ঐ অরবিটের জন্য আগেই আরও ২০টি দেশের আবেদন পেন্ডিং ছিলো। এরপর ৬৯ ডিগ্রী-পুর্ব অরবিটের জন্য করা আবেদনটিও প্রত্যাখ্যাত হয় কিছু দেশের আপত্তির কারনে। অবশেষে আর অপেক্ষা না করে Intersputnik International Organization of Space Communication নামক রাশিয়ান একটি সংস্থার অধিকৃত অরবিট ১১৯.১ ডিগ্রী-পূর্ব বঙ্গবন্ধু-১ এর জন্য ভাড়া করা হয়। ৪৫ বছর মেয়াদি এই চুক্তিতে মোট খরচ হবে ২.১৮ বিলিয়ন টাকারও বেশি।

বাংলাদেশের আরও দুটি অরবিটাল ১০০ ডিগ্রী এবং ৭৪ ডিগ্রী-পূর্ব দ্রাঘিমার জন্য করা আবেদন এখন ঝুলে আছে।

Collected

0 Comment "বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পাঠাতে মহাকাশের ঐ জায়গাটা (১১৯.১)আমরা কেন ভাড়া নিব ? যাদেরকে ভাড়া দিচ্ছি তারা ওটার মালিকানা কিভাবে পেল ?"

Post a Comment